রুগী এসেছে টোটা ফুটে। তাতে ফুসফুস ছিদ্র হয়েছে, ছিদ্র হয়েছে সম্ভবত হার্টও। বুঝার উপায় নেই। বীর বাঙালী মারামারি করল, টোটা বিদ্ধ হল, এরপর মরার আগ মুহুর্তে হাসপাতালে এসে ডাক্তারদের সাথে দুর্ব্যবহার শুরু করল। দ্রুত বাঁচাতে হবে।
বেচেও হয়ত গেছে এ যাত্রায়।
.
পরের রুগীর কাহিনী আপনিও শুনেননি কোন দিন, আমিও শুনিনি। হয়ত কেউই শুনেনি। রাত আড়াইটার সময় রুগী গেছে ষাঁড় কে খাবার দিতে। এত রাতে ষাড় কে কেন খাবার দিতে হয় প্রশ্ন টা মনে রয়েই গেল।
যাই হোক, দিল খাবার ষাড়কে। ষাড় নাকি তার মলদ্বারে গুতা দিয়েছে। আমি তিন বার জিজ্ঞাসা করলাম... শিং দিয়ে গুতা দিয়েছে?? কারন শিং ছাড়া আমার মাথায় আর কিছুই আসে নি।
কোন দ্বিধা ছাড়াই জবাব দিল... লিঙ্গ দিয়ে গুতা দিয়েছে।
অপারেশনের পুর্বে আমি মলদ্বারে হাত দিয়ে দেখি মলদ্বার ছিড়ে পেটের মধ্যে পায়খানা ছড়িয়ে গেছে।
পৃথিবীর ইতিহাসে সম্ভবত এই প্রথম কোন অবলা জীব মানুষকে রেপ করল। ব্রুটালি রেপ করে ছিড়ে একাকার করেছে।
এখানেও সয়ংশয় রয়ে গেছে আমার। কোন গরুর পক্ষে এত সুন্দর পজিশন করে বাইরে কোন ইনজুরি ছাড়াই চাচার মলদ্বারে পেনিস ঢুকাবে সেটা কল্পনাতীত। গরু কখনও এত শিক্ষিত হয় না, বিশেষ করে চাচার যেখানে লুঙী পরা আছে।
জিনিষটা হয়ত মিউচুয়ালী হয়েছে....
-ডা.আব্দুর রব

Post a Comment